পছন্দের জুতা ও সাইজ সিলেক্ট করবেন যেভাবে

ক্রমেই বাড়ছে অনলাইন শপিংয়ের ক্রেজ। মহামারী সেই পালে আরো বাতাস দিয়েছে। কিছু সহজ বিষয় মাথায় রেখে অর্ডার করুন আপনার পছন্দের জুতা ও সঠিক সাইজ।

বর্তমান মহামারিতে অনেকেই মার্কেট ঘুরে কেনাকাটার তুলনায় অনলাইন শপিংয়েই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। তবে বিপত্তি আসে অনলাইনে জুতা কেনার ক্ষেত্রে। নানা ধরনের বিড়ম্বনায় পড়তে হয় বলে অনেকেই পছন্দের জুতা কেনা থেকে বিরত থাকেন।

তাই পছন্দের জুতা কেনার সময় সঠিক মাপ নেওয়া এবং অনলাইনের কেনা প্রক্রিয়ার বিষয়গুলো মাথায় রেখে অর্ডার করলে আপনিও ঘরে বসে পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের জুতা। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় আমাদের জেনে রাখা ভালো।

নিজের পায়ের সঠিক মাপ নেওয়া


অনলাইনে জুতা অর্ডারের প্রথম ধাপ হলো আপনার পায়ের সঠিক মাপ জানা। অনেকেই দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলোর জুতার মাপ ধরে অর্ডার করেন। তবে একই ব্র্যান্ড্রের জুতা ভেদেও সাইজের ভিন্নতা থাকায় অনেকেই বিপাকে পড়েন। সে ক্ষেত্রে ঘরে বসেই নিজের পায়ের মাপ নিলে এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। ইউটিউবে নানা ধরনের ভিডিও আছে পায়ের মাপ নেওয়ার। সবচেয়ে সহজ উপায়টি হলো, একটি সাদা কাগজে পেনসিল বা কলম দিয়ে পায়ের সর্বোচ্চ আঙুল থেকে গোড়ালি পর্যন্ত এবং পায়ের পাতার সর্বোচ্চ মাপরেখা টেনে ফিতা দিয়ে মেপে নিলেই পেয়ে যাবেন আপনার পায়ের সঠিক মাপ।

অনলাইন শপের সঙ্গে কনসাল্ট করা


পায়ের সঠিক মাপ জানা হলে কনভারশন চার্ট থেকে তাদের সাইজের সঙ্গে মিলিয়ে নিন আপনার পায়ের মাপ। বিভিন্ন ব্রান্ডের জুতাভেদে সাইজে কিছু কমবেশি হয়। বন্ধ জুতা কেনার ক্ষেত্রে পায়ের তুলনায় একটু বড় সাইজ অর্ডার করাই ভালো। এছাড়াও কোন কনফিউশন থাকলে আমাদেরকে মেসেজ করুন অথবা হটলাইন নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

রিভিউ দেখে কেনা


অনলাইন শপিংয়ের ক্ষেত্রে যাঁরা ব্যবহার করেছেন, তাঁদের রিভিউ ফলো করে অর্ডার করুন।

রিটার্ন কিংবা এক্সচেঞ্জ পলিসি


প্রোডাক্ট পছন্দ না হলে রিটার্ন অথবা এক্সচেঞ্জ করার সুযোগ আছে।

ডেলিভারিম্যানের সামনেই চেক করা


এই ভুল আমরা অনেকেই করে থাকি। ডেলিভারির সময় কখনো আমরা বাসায় থাকি না, আবার কখনো সময়ের অভাবে ডেলিভারিম্যানের সামনে প্রোডাক্ট চেক করে নিই না। পরবর্তীকালে নানা ঝামেলায় পড়তে হয়। তাই ডেলিভারিম্যানের সামনে জুতা পরে দেখলে সাইজ না মেলার ঝামেলা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

আরও যেসব বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন

• মডেল পরেছে, এমন কোনো পেজ থেকে অর্ডার করা। অনেক সময় অন্যের পায়ে পরা জুতা দেখেও কিছুটা ধারণা পাওয়া সম্ভব।

• প্রথম অর্ডারের ক্ষেত্রে তুলনামূলক কম মূল্যের প্রোডাক্ট বাছাই করা। এতে পরবর্তী পণ্য কিনবেন নাকি না, তা যাচাই করতে পারবেন।

• কালার ও ম্যাটেরিয়াল সম্পর্কে ধারণা নেওয়া।

• জুতা হাতে পাওয়ার পর ঘরে ট্রায়াল দিয়ে চেক করা, এতে এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ঝামেলামুক্ত থাকা যায়।

Leave a Reply